Skip to content
Home » নাপা ট্যাবলেট খাওয়ার সঠিক নিয়ম

নাপা ট্যাবলেট খাওয়ার সঠিক নিয়ম

  • by
নাপা ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম

নাপা ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম

সম্মানিত পাঠক, আজকে আমাদের আলোচনার টপিক হচ্ছে প্যারাসিটামল খাওয়ার নিয়ম। নাপা প্যারাসিটামল শুধু জ্বর ও ব্যথা হলে যে খেতে হবে তার কোনো মানে নেই। এই ঔষধটি বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। যেমন জ্বর শরীর ব্যথা ঠান্ডা কাশি ইত্যাদি ক্ষেত্রে। এমন অনেকে আছে যারা শরীরের একটু তাপমাত্রা বাড়লে প্যারাসিটামল খেয়ে নেন। এই বিষয়টি খুবই বিপদজনক কারণ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী 101 ডিগ্রী ফারেনহাইট তাপমাত্রা না হওয়া পর্যন্ত প্যারাসিটামল ওষুধ খাওয়া ঠিক নয়। যদি এর নিচে আপনার শরীরের তাপমাত্রা থাকে তাহলে প্রচুর পরিমাণে পানি খান এবং বিশ্রাম করুন তাহলে আপনার জ্বর সেরে যাবে। তাহলে চলুন নিচে দেখা যাক নাপা খাওয়ার নিয়ম গুলো।

হিরো হাঙ্ক  150r abs বাংলাদেশ প্রাইস 2022

প্যারাসিটামল  খাওয়ার নিয়ম

এখন আমরা আপনাদের কিভাবে নাপাক কিংবা প্যারাসিটামল খেতে হয় সে নিয়ম সম্পর্কে বলে দেবো। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নাপা সেবন করা ভালো। আপনারা নিজে নিজে কখনো নাপা সেবন করবেন না তাহলে এটি খুবই বিপদজনক। আমরা আজকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আপনাদের কিছু নিয়ম নিচে শেয়ার করলাম।

    1. দৈহিক ব্যথার উপশমে অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্যারাসিটামলই ব্যবহৃত হয়। মাথাব্যথা, গলাব্যথা, পেশির ব্যথা, দাঁতের ব্যথা, ঋতুকষ্ট ইত্যাদিতে প্যারাসিটামল খুবই কার্যকর। চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়াই এটি বিক্রি হয় এবং যে কেউ কিনতে পারেন। তবে তাই বলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া প্যারাসিটামল ব্যবহার করা একেবারেই অনুচিত।
    2.  ২৪ ঘণ্টায় চিকিত্সকরা সর্বাধিক তিন থেকে চারবার প্যারাসিটামল খাওয়ার পরামর্শই দেন। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে, ২৪ ঘণ্টায় ৪ গ্রাম বা ৪ হাজার মিলিগ্রামের বেশি প্যারাসিটামল খাওয়া যাবে না।
    3.  ৪ হাজার মিলিগ্রামের বেশি প্যারাসিটামল খাওয়া মোটেই উচিত নয়। কারণ তাতে কিডনি ও লিভারের মারাত্মক ক্ষতির ঝুঁকি থাকে।
    4.  গা ব্যথা বা জ্বরের জন্য তিন দিন পর্যন্ত প্যারাসিটামল খাওয়া যেতে পারে। তিন দিনে সমস্যা না কমলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
    5.  সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষকের দাবি, গর্ভাবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাত্রাতিরিক্ত প্যারাসিটামল খেলে অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপার অ্যাকটিভিটি ডিসর্ডার বা অটিস্টিক স্পেকট্রাম ডিসর্ডার- এর মতো মারাত্মক স্নায়ুরোগ দেখা দিতে পারে।
    6. প্যারাসিটামলের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সাধারণত গুরুতর নয়। তবে শিশুদের বয়স আর ওজন অনুযায়ী প্যারাসিটামল দেওয়া উচিত। তাই শিশুদের প্যারাসিটামল খাওয়ানোর ক্ষেত্রে আগে চিকিৎসকের পরামর্শ অবশ্যই নিতে হবে।
    7.  মাথাব্যথা, গলাব্যথা, পেশির ব্যথা, দাঁতের ব্যথা, ঋতুকষ্ট ইত্যাদিতে প্যারাসিটামল খুবই কার্যকর। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৫০০ মিলিগ্রামের একটি ট্যাবলেট, কখনও প্রয়োজনে দুটিও খেতে হতে পারে
    8.  চিকিত্সকদের মতে, শরীরের তাপমাত্রা ১০১ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি না হওয়া পর্যন্ত জ্বরের ওষুধ না খাওয়াই ভাল। কারণ ভাইরাল ফিভার নিজে থেকেই সেরে যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *