Tips & tricks

বিকাশ থেকে লোন নেওয়ার নিয়ম-১০০০০ টাকা লোন

বিকাশ থেকে লোন নেওয়ার নিয়ম ২০২২

সম্মানিত গ্রাহক, বিকাশ নিয়ে এসেছে লোন নেওয়ার নতুন একটি পদ্ধতি।বিকাশ সিটি ব্যাংকের সাথে একত্রিত হয়ে চালু করতে যাচ্ছে দেশের প্রথম ডিজিটাল ঋণ বিতরণ সেবা পদ্ধতি। বর্তমানে বিকাশ পরীক্ষামূলকভাবে রেলওয়ে চালু করেছে।এ বিকাশ লোন এর আপনি সর্বোচ্চ কত টাকা লোন নিতে পারবেন এবং কি প্রসেসিং লোন আপনি পাবেন সে সকল বিস্তারিত তথ্য আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করব।

আপনি যদি বিকাশ থেকে টাকা লোন করতে চান তাহলে আমাদের এই পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়বেন। তাহলে আপনি আপনার কাঙ্খিত যে লোন নেওয়ার পদ্ধতি তা সম্পূর্ণভাবে বুঝতে পারবেন এবং লোন নিতে পারবেন।বিকাশ থেকে লোন নেওয়ার নিয়ম ২০২২ লোন সিস্টেম নিচে আলোচনা করা হলো।

বিকাশ এল সিস্টেম চালু করেছে বেসরকারি সিটি ব্যাংক এর যৌথভাবে। তারাই একমাত্র প্রথম জামানত বিহীন লোন সিস্টেম চালু করেছে। আপনার তাৎক্ষণিকভাবে যদি কোন লোন প্রয়োজন হয় তাহলে আপনি বিকাশ থেকে লোন নিতে পারবেন। সর্বোচ্চ আপনি 10000 টাকা লোন নিতে পারবেন।তাহলে চলুন নিচে লোন নেওয়ার বিস্তারিত সকল প্রশ্নের উত্তর দেওয়া যাক।

আজকের পরিচ্ছেদ সমূহ

  • বিকাশ ডিজিটাল ঋণ গ্রহণের শর্তসমূহ
  • কারা বিকাশ ঋণ পাবেন?
  • বিকাশ ডিজিটাল লোন কীভাবে পাবো
  • বিকাশ লোন পরিশোধের নিয়ম কী?

বিকাশ ডিজিটাল ঋণ গ্রহণের শর্তসমূহ

বিকাশ থেকে লোন নেওয়ার নিয়ম ২০২২

বিকাশ এবং সিটি ব্যাংক এই দুটি যৌথভাবে জেরিন সেবা চালু করেছে এই ঋণ উপযুক্ত বিকাশ গ্রাহক বিকাশ অ্যাপ থেকে যেকোন সময় যেকোন স্থানে ঘরে বসেই এই ঋণ নিতে পারবে। বিকাশের একমাত্র উপযুক্ত যারা রয়েছে তারা সর্বোচ্চ 10 হাজার টাকা জামানত ছাড়াই ঋণ নিতে পারবে। এদিনটি পরীক্ষামূলকভাবে শুধুমাত্র বাছাইকৃত বিশ্বস্ত কিছু বিকাশ গ্রাহকরা এ লোন পাবেন। কারণ সেবাটি সম্প্রতি পাইলট প্রকল্প হিসেবে চালু হয়েছে।তারা যদি তাদের এই ডিজিটাল ঋণ সিস্টেমের সফলতা অর্জন করতে পারে তাহলে সর্বস্তরের বিকাশ গ্রাহকরা এ সেবা পেয়ে থাকবে।

কারা বিকাশ ঋণ পাবেন?

আপনারা হয়তোবা উপরের লেখাটি পড়ে হয়তো বা বুঝে ফেলেছেন কারা এর আবেদন করতে পারবে।আপাতত নির্বাচিত বিকাশ গ্রাহকগণই 10 হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবে।আমি আগেই বলেছি যদি তাদের এই প্রকল্প টি সফল হয় তবে তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনক্রমে সেবাটি সর্বস্তরে বিকাশ গ্রাহকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেবে।

আপনি এই বিকাশ লোন পাবেন কিনা তা আপনার ক্রেডিট একাউন্ট এর উপর নির্ভর করবে।বিকাশ এবং সিটি ব্যাংক আপনার ক্রেডিট একাউন্ট পর্যবেক্ষণ করে দেখবে যে আপনি এই ঋণ নেওয়ার জন্য উপযুক্ত কিনা। যদি উপযুক্ত হন তাহলে আপনার বিকাশ অ্যাপে এই লোন নেওয়ার অপশন আসবে।আলিবাবা গ্রুপের অ্যাফিলিয়েট ‘‘অ্যান্ট ফিনান্সিয়াল’’ এই প্রকল্পে বিকাশ গ্রাহকদের ক্রেডিট অ্যাসেসমেন্ট করবে।

আরো পড়ুন: সোনালী ব্যাংকের শাখা সমূহ ঢাকা ২০২২

বিকাশ ডিজিটাল লোন কীভাবে পাবো

যারা বিকাশ এবং সিটি ব্যাংকের যৌথ প্রকল্পে ঋণ নিতে চাচ্ছেন তারা বর্তমানে পাইলট প্রকল্পের আওতায় এই ঋণ দেওয়া হচ্ছে। নির্দিষ্ট সংখ্যক কিছু গ্রাহক এই ঋণ নিতে পারবে বিকাশ অ্যাপ ব্যবহার করে। যদি তাদের এই প্রকল্প সঠিকভাবে সঠিক পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয় তাহলে তারা আরো বেশি পরিমাণ বিকাশ করার জন্য এই সভাটি উন্মুক্ত করে দিবে। তাদের এই কার্যক্রম সফলভাবে পালিত হলে সকল বিকাশ গ্রাহকরা তাদের বিকাশ অ্যাপ আইকন দেখতে পাবে এই ঋণ নিতে গ্রাহককে তার ই কেওয়াইসি বিকাশকে দেওয়া তথ্য সিটি ব্যাংকের সম্মতি দিতে হবে।

এরপর ঋণের পরিমাণ ও নিজের পিন দিয়ে সাথে সাথেই বিকাশ একাউন্টে ডিজিটাল ঋণের টাকা পেয়ে যাবেন। মনে রাখবেন এই ঋণের সাথে যে প্রয়োজ্য সুদ এবং অন্যান্য বিধি বিধান রয়েছে তা বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিপালিত হবে।

আরো পড়ুন: কৃষি ব্যাংক লোন পদ্ধতি ২০২২

বিকাশ লোন পরিশোধের নিয়ম কী?

একজন গ্রাহক যখন বিকাশ অ্যাপ থেকে ঋণ নেবে তখন পরবর্তী তিন মাসে একই পরিমাণ অর্থ তিন কিস্তিতে গ্রাহকের বিকাশ একাউন্ট থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিষদ হয়ে যাবে। গ্রাহককে পরিষদের তারিখের আগে এসএমএস এবং অ্যাপ এর মাধ্যমে তাকে একটি নোটিফিকেশন পাঠিয়ে দেয়া হবে। ঋণগ্রহণকারী সঠিক সময়ে ঋণ পরিশোধ করছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করবে। যদি সে সঠিক সময়ে ঋণ পরিশোধ করে থাকে তাহলে তাকে পুনরায় ঋণ নিতে পারবে।

আপনাদের যদি বিকাশ সংক্রান্ত কিংবা কোন ব্যাংকিং লোন সিস্টেম এর তথ্য জানার প্রয়োজন হয় তাহলে আপনারা আমাদের কমেন্ট বক্সে যোগাযোগ করবেন আশা করি আপনাদের সঠিক তথ্য দিতে পারব এবং আমাদের এই পেজটি বুকমার্ক করে রাখবেন তাহলে আপনারা আমাদের আপডেট গুলো পেয়ে যাবেন।