News

যে কারনে আবার বিয়ে করলেন চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা

যে কারনে আবার বিয়ে করলেন চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা। বিয়ে করলেন চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা। কিন্তু কী কারণে তিনি আবার বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন সে বিষয়ে জানতে চান? তাহলে আমাদের পোস্ট  সম্পূর্ণ পড়বেন। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের প্রবীণ শিল্পীদের মধ্যে পূর্ণিমা একজন। যিনি সৌন্দর্যকে দীর্ঘদিন ধরে রেখেছেন  একই ধাছে। তার এই গ্ল্যামার এর প্রেমে পড়েনি এমন মানুষ খুব কমই আছে। কিন্তু দীর্ঘদিন একা থাকার পর হঠাৎ কেন তিনি বিয়ে করলেন। সে বিষয়ে আজকে আমরা আপনাদের জানাব। আশাকরি মনোযোগ সহকারে আমাদের এই আর্টিকেলটি আপনারা  পড়বেন।

চিত্রনায়িকা পূর্নিমা নিজেই তার বিয়ের খবর প্রথম আলোকে জানিয়েছে। তিনি তার বিয়ে প্রসঙ্গে বলেন, পারিবারিকভাবে দুই পক্ষের সম্মতিতে তাদের বিয়ে হয়েছে। এই বিয়েতে দু’পক্ষের অনেক খুশি। মূলত তাদের বিয়ে একমাস আগে হয়েছে। তার বর্তমান স্বামীর নাম আশরাফুল রহমান রবিন। তিনি ঢাকা একটি বেসর্কারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। পূর্ণিমা বলেন চার কি পাঁচ মাস আগে একটি কাজের সূত্র ধরে তার সাথে পরিচয়। তারপর তাদের মাঝে মধ্যে কথোপকথন হতো। সেখান থেকে তাদের একটি ভালো পরিচয় একে অপরকে চেনাজানা হয়েছিল।

সেখান থেকে তাদের একটি ভালো চেনাজানা হয়েছিল। তারপর উভয়পক্ষ পরিবারকে জানায়। তখন পারিবারিকভাবেই তাদের বিয়েটা হয়ে যায়। তাদের বিয়েতে তেমন কোনো জাঁকজমক অনুষ্ঠান ছিল না। পারিবারিকভাবে ঘরের ভেতরে তারা এই বিয়েটি সম্পন্ন করে ।তাদের বিয়েতে দুই পরিবারের সবাই খুশি। বিয়ে প্রসঙ্গে পূর্ণিমা আরো বলেন দু’পক্ষের অনুমতিতে তো বিয়েটা হল। এর ফলে যেমন পরিবার খুশি তেমন আমরাও খুশি।

রবিনের পরিবার পূর্ণিমার মেয়েসহ ফ্যামিলিগত ভাবে মেনে নিয়েছে। রবিনের পরিবারের লোকজন পূর্ণিমার মেয়েকে অনেক আদর করে এবং ভালোবাসে। এই বিয়েতে তাদের অনেক প্ল্যান ছিল। কিন্তু বিয়ের পরে তাদের পরিবারের সবাই অসুস্থ হয়ে পড়ে। যার ফলে তাদের সমস্ত প্ল্যান গুলো আর সম্ভব হয়ে ওঠেনা। বিয়ের পরেই পূর্ণিমার  প্রচুর জ্বর আসে।  সেইসাথে পরিবারের সকলের আস্তে আস্তে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। এর ফলে তাদের হানিমুনের প্রোগ্রামটা স্থগিত হয়ে যায়। তবে এখন তারা পুরোপুরি সুস্থ।

2007 সালের 14 নভেম্বর চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা প্রথম বিয়ে হয়ে থাকে। তার স্বামীর নাম ছিল আহমেদ  জামান ফাহাদ। 2014 সালের পূর্ণিমা কন্যাসন্তানের মা হয়। তাদের বিবাহ বন্ধন ছিন্ন হওয়ার পর দীর্ঘদিন ধরে তিনি আর বিয়ে করেনি। এর ফলে তিনি দীর্ঘদিন একাকী জীবন যাপন করেছে। বর্তমানে তিনি আবার দ্বিতীয় বিবাহের আবদ্ধ হয়েছেন। আপনারা তাদের জন্য দোয়া করব যেন তারা তাদের মেয়েকে নিয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারে।