Tips & tricks

রোহিনী কোন উপন্যাসের নায়িকা

রোহিনী কোন উপন্যাসের নায়িকা

কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসের নায়িকা রোহিনী ।রোহিণী তিনি হলেন একজন ভারতীয় অভিনেত্রী ,গীতিকার, চিত্রনাট্যকার এবং পরিচালক।রোহিনী হলেন তামিল মালায়ালাম তেলুগু চলচ্চিত্রের একজন অ্যাক্টর। রোহিনী মাত্র পাঁচ বছর বয়সে তিনি তার অভিনয় জীবন শুরু করেন। 130 টির অধিক দক্ষিণের চলচ্চিত্র অভিনয় করেছেন তিনি। তিন 1996 সালে জাতীয় নারী পুরস্কার এবং অন্ধপ্রদেশের সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার লাভ করেন।

আজকের পরিচ্ছেদসমূহ

  • রোহিণী জন্ম
  • তার ব্যক্তিগত জীবন ও পেশা

রোহিনীর জন্ম

রোহিনী ১৯৬৯ সালের ১৫ই ডিসেম্বর তারিখে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের আনাকাপাল্লে-তে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

ব্যক্তিগত জীবন ও পেশা

রোহিনী ব্যক্তিগত জীবন ও পেশা

 রোহিনী চেন্নাইতে তার শৈশব জীবন অতিবাহিত করেছেন। তার বাবা নাম রভু নায়ডু এবং মায়ের নাম সরস্বতী। বাবা হলেন একজন পঞ্চায়েত কর্মকর্তা এবং মা হলেন গৃহিণী। তার বাবার স্বপ্ন ছিল তিনি একজন অভিনেতা হবেন। যদি তিনি অভিনেতা হতে পারেননি ।তবে তিনি নিজের মেয়েকে অভিনেত্রী হওয়ার জন্য উৎসাহিত করেছিল।তার মেয়েকে দিয়ে তিনি তার মনের ইচ্ছা পূরণ করেছিলেন। পাঁচ বছর বয়সে তার মা মারা যান অতঃপর তার বাবা আবার বিবাহ করেছিলেন।রোহিনী প্রখ্যাত অভিনেতা প্রয়াত রঘুবরণের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন।

রোহিণী  কর্ম জীবন

তিনি শিশুশিল্পী হিসেবে 1977 সালে অভিনয় জগতে তার জীবন শুরু করে।তিনি তেলুগু এবং তামিল শিল্পের জনপ্রিয় কণ্ঠ শিল্পী ছিলেন।তেলুগু চলচ্চিত্র যশোদা কৃষ্ণ-তে তাকে প্রথম পাঁচ বছরের একটি মেয়ের চরিত্রে দেখা গিয়েছিল।তিনি মণি রত্নমের পাঁচটি চলচ্চিত্রে ছয়টি চরিত্রের জন্য কণ্ঠ দিয়েছেন। তিনি গিরিজা শেত্তর হয়ে আজ পর্যন্ত মুক্তিপ্রাপ্ত মণি রত্নমের একমাত্র তেলুগু চলচ্চিত্র গীতাঞ্জলি -তে নেপথ্যকণ্ঠ দানের কাজ করেছেন।তিনি জ্যোতিকা (ভেট্টাইয়াদু ভিল্লাইয়াদু), ঐশ্বর্যা রাই (ইরুভার এবং রাবণন),[৪] মনীষা কৈরালা (বম্বে )[১] এবং অমলা আক্কিনেনি (শিব)-এর মতো অভিনেত্রীদের জন্য কণ্ঠ দিয়েছেন।

২০০৮ সালে, রোহিনী চলচ্চিত্র শিল্পের শিশু শিল্পীদের সম্পর্কে সাইলেন্ট হিউস নামে একটি ৫০ মিনিটের প্রামাণ্যচিত্র পরিচালনা করেছিলেন।এইডস সচেতনতার একজন কর্মী হিসেবে রোহিনী এমজিআর মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এবং তামিলনাড়ু এইডস কন্ট্রোল সোসাইটির জন্য স্বল্পদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন।২০১৩ সালে, তিনি আপ্পাভিন মীসাই নামে একটি বৈশিষ্ট্যযুক্ত চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন, যা এখনও মুক্তি পায়নি।