Tips & tricks

শীতের নতুন পিঠার রেসিপি – মজাদার ও লোভনীয় শীতের পিঠা

শীতের নতুন পিঠার রেসিপি – মজাদার ও লোভনীয় শীতের পিঠা

শীত আসলেই আমাদের বাহাড়ি রকমের নতুন মজাদার পিঠা খাওয়ার উৎসব শুরু হয়ে যায়।বাঙালি জাতির ঐতিহ্য মধ্যে রয়েছে শীতকালে বিভিন্ন ধরনের পিঠা পুলি উৎসব। আজকে আমরা শীতকালীন খুব জনপ্রিয় কয়েকটি পিঠা রেসিপি আপনাদের সাথে শেয়ার করব। আশা করি আপনারা সেগুলো দেখে শীতকালীন পিঠা তৈরি করতে পারবেন।

২০২২ বিশ্বকাপ ফুটবল সময় সূচি আজকের খেলা

পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্ট ধর্ম-শান্তির ধর্ম তালিকা

আজকের ট্রপিক:

  • শীতের পিঠা – দুধচিতই
  • শীতের পিঠা – দুধে ভেজানো হাতকুলি
  • শীতের পিঠা – ভাপা পিঠা
  • শীতের পিঠা – তেল পিঠা

শীতের পিঠা – দুধচিতই (ধুদের পিঠা)

দুধচিতই (ধুদের পিঠা)

উপকরণঃ

চালের গুড়া ,পানি ও লবণ পরিমাণমতো,  দুধ পরিমান মতো, গুড় পরিমানমতো ।

প্রণালীঃ

চালের গুড়ায় পানি মিশিয়ে তরল মিশ্রণ তৈরি করুন। খেয়াল রাখবেন বেশি পাতলা বা বেশি ঘন যেন না হয়। তবে পাতলা গোলা করলে পিঠা সুন্দর নরম হয়। যে পাত্রে পিঠা ভাজবেন সেটাতে সামান্য তেল মাখান। এখন পাত্রটি হালকা গরম করে ২ টেবিল চামচ চালগোলা দিয়ে ঢেকে দিন। ২-৩ মিনিট পর পিঠা তুলে ফেলুন। দুধ জ্বাল দিয়ে সামান্য ঘন করুন।

আলাদা করে পানি , গুড় দুধ জ্বাল দিয়ে গুড় ও দুধের সিরা তৈরি করুন। সিরায় পিঠা ছেড়ে চুলায় দিয়ে কিছুক্ষণ জ্বাল দিন। ঠাণ্ডা হলে দুধ দিয়ে কিছু সময় ভিজিয়ে রাখুন।সকালে এই পিঠা খেতে

দুধে ভেজানো হাতকুলি পিঠা

দুধে ভেজানো হাতকুলি পিঠা

উপকরণঃ

ঘন দুধ পরিমানমতো, রান্না করা নারকেলের পরিমানমতো, খেজুরের গুড় মিষ্টি অনুযায়ী, পানি পরিমানমতো, আতপ চালের গুঁড়া দিয়ে বানানো সিদ্ধ খামি পরিমানমতো, কাজু কিশমিশ পরিমাণমতো, মাওয়া আধা কাপ, এলাচ গুঁড়া সামান্য

প্রণালীঃ

হাতে ছোট ছোট পুরির আকারে খামির নিয়ে একটু গর্ত করে তাতে পুর ভরে ভালোভাবে আটকে মুখ বন্ধ করে দিতে হবে। পিঠার মুখ ভালো করে না আটকালে দুধে ভেজালে ভেঙে যেতে পারে। এভাবে সব পিঠা বানানো হলে চুলায় গুড়-পানি দিয়ে ১০ মিনিট ফোটাতে হবে।

আস্তে আস্তে ঘন দুধ দিয়ে আরও দু-তিন মিনিট রেখে ধীরে ধীরে অল্প অল্প করে পিঠা ছড়িয়ে দিতে হবে। পিঠা সিদ্ধ হয়ে গেলে মাওয়া দিয়ে মাখাতে হবে। সুন্দর বাটি বা ডিশে বেড়ে ওপরে বাদাম ও কিশমিশ দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

তেলর পিঠা

উপকরণঃ

চালের গুঁড়ো, খেজুর গুড়, কালি জিরা (পরিমাণ মতো), লবণ (স্বাদ অনুযায়ি), গরম পানি, তেল।

প্রণালীঃ

পানি ভালো মতো ফুটিয়ে তাতে সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয় খামি তৈরি করে নিন। তারপর আপনি চাইলে ডিমও ভেঙ্গে দিতে পারেন। এতে পিঠার স্বাদে ভিন্নতা আসবে। খামির ভালো করে ফেটে নিয়ে গরম তেলে ভাজুন। এই পিঠা ডুবো তেলে ভাজতে হয়। তেলের ভিতরে পিঠা গাঢ় বাদামী রঙ ধারণ করলে নামিয়া তা গরম গরম পরিবেশন করুন।

অনেকে এই পিঠা দুধের সিরায় ভিজিয়ে খেতেও পছন্দ করেন। এ জন্য অবশ্য আগে দুধ ও গুড় এক সঙ্গে করে জাল দিয়ে নিতে হয়। পিঠা ভাজার পর তা দুধে কয়েক ঘন্টা ভিজিয়ে রাখতে হয়।

শীতের পিঠা – ভাপা পিঠা

উপকরণ

যেকোনো সিদ্ধ চালের গুঁড়া পরিমাণমতো। খেজুরের গুড় এবং নারিকেল কোরানো।

প্রস্তুত প্রণালী

চালের গুড়া লবণ মিশিয়ে হালকা ভাবে পানির ছিটা দিয়ে মেখে নিতে হবে।খেয়াল রাখতে হবে যাতে চাউলের গুড়া গুলো দলা বেঁধে না যায়। তারপর বাসের চালুনি দিয়ে ঘুড়াগুলো চেলে নিতে হবে। তারপর ভাপা পিঠা বানানোর হাঁড়িতে পানি দিতে হবে। তারপর মুখে ঢাকনা বসিয়ে দিয়ে তার চারদিকে ময়দা গলিয়ে তা আটকে দিতে হবে যেন কোন প্রকার সাইট দিয়ে বাসবো বের হয়।

গুঁড়ি দিয়ে মাঝখানে গর্ত করে গুড় ও নারিকেল দিন। আবার চালের গুঁড়া দিয়ে ঢেকে দিন। এবার এক টুকরা পাতলা সুতির কাপড় ভিজিয়ে পিঠার বাটি ঢেকে উল্টে মুখ ছিদ্র ঢাকনার ওপর পিঠা রেখে সাবধানে বাটি খুলে পিঠা ঢেকে দিন। সিদ্ধ হলে পিঠা উঠিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

আরো পড়ুন: