Education

৯ম শ্রেণি [৩য় সপ্তাহ] বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট-বই পড়ার অভ্যাস গঠনে লাইব্রেরির গুরুত্ব বিশ্লেষণ

৯ম শ্রেণি [৩য় সপ্তাহ] বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট-বই পড়ার অভ্যাস গঠনে লাইব্রেরির গুরুত্ব বিশ্লেষণ,সম্মানিত ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ, হয়তোবা আপনারা ইতিমধ্যে জেনে গেছেন যে সরকারি শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে নবম শ্রেণির বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন পত্র প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশ শিক্ষা অধিদপ্তরের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে নবম শ্রেণীর তৃতীয় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন প্রকাশিত হয়েছে। যার ফলে প্রত্যেকটি স্কুল থেকে শিক্ষার্থীদের বলে দেওয়া হয়েছে অ্যাসাইনমেন্ট সঠিক সময়ে জমা দেওয়ার জন্য। এখনো যে সকল শিক্ষার্থীরা নবম শ্রেণীর তৃতীয় সপ্তাহের বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট গুলো ফলাফল সংগ্রহ করেছেন মেন তৈরি করতে পারেনি তারা খুব দ্রুত আপনার অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি করেন এবং নির্ধারিত সময় বিদ্যালয় জমা দেন।

আমরা সম্প্রতি আমাদের ওয়েবসাইটে অফিশিয়ালি যে প্রশ্ন পত্র দেয়া হয়েছে তা প্রকাশ করেছে। সেইসাথে নবম শ্রেণীর 2020 শিক্ষাবর্ষের তৃতীয় সপ্তাহের বাংলা এসাইনমেন্ট এর সঠিক এবং নির্ভুল প্রশ্নের উত্তর আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে। যে সকল স্টুডেন্ট নবম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট তৃতীয় সপ্তাহের নির্ভুল উত্তর পেতে চান তাহলে আমাদের ওয়েবসাইট থেকে আপনারা সংগ্রহ করে এসাইনমেন্ট তৈরি করতে পারেন। আপনারা আমাদের এই পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়বেন তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন যে আমাদের প্রশ্নের উত্তর গুলো কতটা নির্ভুল। প্রশ্নের উত্তর পেতে নিচের অংশ ভালোভাবে পড়ে নিন।

৯ম শ্রেণীর ৩য় সপ্তাহ বাংলা এসাইনমেন্ট প্রশ্ন উত্তর ২০২২

আপনারা আমাদের ওয়েবসাইটে নবম শ্রেণীর তৃতীয় সপ্তাহের বাংলা এসাইনমেন্ট প্রশ্নের উত্তর 2022 পেয়ে যাবেন। প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে আপনাকে নিচে স্ক্রল করে যেতে হবে। সেখানে দেখবেন সঠিক এবং সুষ্ঠভাবে প্রশ্নের উত্তর গুলো দেওয়া আছে। অনেক ছাত্রছাত্রী রয়েছে যারা একটু অলস ধরনের। তারা প্রশ্ন ভালোভাবে না পড়ে সরাসরি উত্তর লিখতে শুরু করে দেয়। আমরা তাদের অনুরোধ করবো আপনি আপনার অ্যাসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন টি ভালোভাবে দেখে নিন। আপনি নিশ্চিত হয়ে নিন যে এই প্রশ্নটিই আপনার সঠিক অ্যাসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন।

এর কারণ হচ্ছে বর্তমান সময়ে অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যারা বিভিন্ন ধরনের ভুল প্রশ্নের উত্তর শেয়ার করে থাকে। যার ফলে উপরের দিকে প্রশ্ন ঠিক থাকলেও দেখা যায় উত্তর গুলো সব ভুল। এর জন্য আপনাদের সাজেস্ট করব যে আপনারা আপনাদের অ্যাসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন গুলো ভালভাবে দেখে তারপর প্রশ্নের উত্তর গুলো লিখবেন।আমরা আপনাদের জন্য সর্বদা সঠিক প্রশ্নের সঠিক উত্তর গুলো দিয়ে থাকি। আমাদের ওয়েবসাইটটি যদি ভিজিট করতে চান তাহলে নিচের লিংক দেওয়া হল। আমাদের ওয়েবসাইটে রেজাল্ট অ্যাসাইনমেন্ট আরো অনেক ধরনের ট্রাফিক রয়েছে যেগুলো আপনি পড়ে আসতে পারেন। তাহলে চলুন প্রশ্নের উত্তর গুলো দেখা যাক।

প্রশ্নঃ লাইব্রেরির পরিচয় তুলে ধরতে হবে।

প্রশ্নঃ কোন ধৱনের বই পড়তে তােমার ভালাে লাগে, লিখতে হবে।

প্রশ্নঃ লাইব্রেরির প্রয়ােজনীয়তা বর্ণনা করতে হবে।

প্রশ্নঃ নিজের দেখা একটি লাইব্রেরি বিবরণ দিতে হবে।

১নং প্রশ্ন উত্তর

প্রশ্নঃ লাইব্রেরির পরিচয় তুলে ধরতে হবে।

উত্তর: লাইব্রেরী সংস্কৃত বাংলা প্রতিশব্দ হচ্ছে গ্রন্থাগার। গ্রন্থ মানে বই কারাগার হচ্ছে গৃহ অর্থাৎ গ্রন্থাগার হচ্ছে বই রাখার গৃহ বা বইয়ের ঘর।

যদি এক কথায় বলতে হয় তাহলে গ্রন্থাগার  হচ্ছে যেখানে তথ্য সামগ্রী বা গ্রন্থ সংগ্রহ করে রাখা হয় এবং চাহিদা অনুযায়ী পাঠক তার প্রয়োজনে বইটি সংগ্রহ করতে পারে।

উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে জাতীয় গ্রন্থাগার যেখানে বিভিন্ন ধরনের দেশে-বিদেশে সকল ধরনের বই সংগ্রহ করে রাখা হয়েছে। সেখানে গ্রাহক তার প্রয়োজন মতো বইটি সংগ্রহ করে তা পড়তে পারে।

তারপর রয়েছে গণগ্রন্থাগার যেখানে পাবলিক লাইব্রেরী বা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরী। যেখানে সমাজের সকল ধরনের মানুষ কিংবা যেকোন পেশাজীবীর মানুষ চাইলে তার প্রয়োজনে বইটি সংগ্রহ করে পড়তে পারে।

২নং প্রশ্ন উত্তর

প্রশ্নঃ কোন ধৱনের বই পড়তে তােমার ভালাে লাগে, লিখতে হবে।

উত্তর: আমার যে ধরনের বই পড়তে ভালো লাগে: আমার প্রায় সব ধরনের বই পড়তে ভালো লাগে তবে সবচেয়ে ভালো লাগে গল্পের বই পড়তে। গল্পের বই যখন পড়ি তখন আমি গল্পের মাঝে হারিয়ে যাই সেখানে কাল্পনিক গাছপালা জীবজন্তু সকল কিছু দেখতে পাই। বিশেষ করে রাজা রানীর গল্প পরতে আমার খুব ভালো লাগে।

যেমন গোপাল ভাঁড়ের গল্প। গোপাল ভাঁড়ের গল্প পড়লে অনেক ধরনের জ্ঞান মূলক কথা বোঝা যায়। গল্পের মধ্যে গোপালের যে বুদ্ধি থাকে তা অতুলনীয়। গোপাল ভাঁড়ের গল্প পড়লে যেন হারিয়ে যায় সেই কৃষ্ণনগরের রাজপ্রাসাদে ভেতরে রাজসভায়। যেখানে সরল-সোজা রাজার বিরুদ্ধে মন্ত্রীর সকল ধরনের চিন্তাভাবনা থাকে এবং রাজাকে সব সময় বাঁচানোর জন্য থাকে গোপাল ভার। যেকোনো ধরনের বিপদ আপদ থেকে গোপাল রাজাকে উদ্ধার করে থাকে। সে উদ্ধার করার সময় যে বুদ্ধিগুলো গোপাল প্রয়োগ করে তা একজন মানুষের বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে পারে।

৩নং প্রশ্ন উত্তর

প্রশ্নঃ লাইব্রেরির প্রয়ােজনীয়তা বর্ণনা করতে হবে।

উত্তর: লাইব্রেরীর প্রয়োজনীয়তা:

জাতির বিকাশ ও উন্নতির মানদন্ড নির্ণয় করার উত্তম জায়গা হল লাইব্রেরী। কারণ সেখানে বিভিন্ন ধরনের বই থাকে এবং প্রত্যেকটি মানুষের রুচি ও চাহিদা অনুযায়ী সেই বইগুলো সংগ্রহ করে পড়তে পারে। এ থেকে যেমন একজন মানুষের জ্ঞান বৃদ্ধি পায় তেমনি সে বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানতে পারে।

লাইব্রেরী হচ্ছে জ্ঞান আরোহনের অনেক সহজ মাধ্যম। কারণ অনেক জ্ঞানী মানুষ রয়েছে যারা বিভিন্ন ধরনের বই পড়তে পছন্দ করে। কিন্তু সেই বইগুলো সচরাচর কোথাও পাওয়া যায় না। যার ফলে তারা বিভিন্ন ধরনের বড় লাইব্রেরীতে খুব সহজে বইগুলো পেয়ে যায় এবং তারা সাধ্যের মধ্যে বইটি পড়তে পারে। আবার অনেক জ্ঞানী মানুষ আছে যারা বই কিনতে পারে না কিংবা সামর্থ্য নেই তারা লাইব্রেরীতে গিয়ে খুব সহজে তাদের পছন্দের বইটি সংগ্রহ করতে পারে। যার ফলে লাইব্রেরীর প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

লাইব্রেরীর প্রয়োজনীয়তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ে একটি করে লাইব্রেরী থাকলে সেখানে ছাত্রছাত্রীরা তাদের পাঠ্য পুস্তকের বাইরে বিশ্ব সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারবে। যার ফলে প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ে একটি লাইব্রেরী থাকা খুবই জরুরী।

এছাড়াও প্রত্যেকটি জেলায় যে পাবলিক লাইব্রেরী রয়েছে সেখানে বিভিন্ন পেশার মানুষ জ্ঞান অর্জন করতে পারে। আর যে দেশের মানুষ যত জ্ঞান অর্জন করবে সে দেশ তত উন্নত হবে। জ্ঞান সৌভাগ্যের চাবিকাঠি। জ্ঞানহীন মানুষ আর আবর্জনা একই কথা। তার ফলে আমাদের জ্ঞান অর্জন করতে হবে এবং বেশী বেশী লাইব্রেরী স্থাপন করতে হবে যাতে সাধারণ মানুষ খুব সহজেই জ্ঞান অর্জন করতে পারে।

৩নং প্রশ্ন উত্তর

প্রশ্নঃ নিজের দেখা একটি লাইব্রেরি বিবরণ দিতে হবে।

উত্তর: আমি জামাল উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একজন নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। আমাদের বিদ্যালয় একটি স্বনামধন্য স্কুল। আমাদের বিদ্যালয়ের পরিবেশ খুবই চমৎকার এবং পরিবেশ বান্ধব। আমাদের বিদ্যালয় রয়েছে একটি সুন্দর লাইব্রেরী। যেখানে আমাদের পড়াশোনার পাঠ্য পুস্তক সহ বিভিন্ন ধরনের গল্পের বই এবং কবিতার বই উপন্যাসের বই রয়েছে। সেখানে আমাদের বিদ্যালয়ের সকল ধরনের ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ এবং শিক্ষকবৃন্দ তাদের প্রিয় বইটি নিয়ে পড়তেন।

আমাদের সেই লাইব্রেরীটি পরিচালনা হতো আমাদের প্রধান শিক্ষক এর নির্দেশনা। সেখানে একজন টিচার ছিল যিনি যে যে বইগুলো সংগ্রহ করতে চায় তাদের নাম-ঠিকানা লিখে রাখতেন এবং সঠিক সময়ে বই জমা দিলে সেটাও লিখে রাখতেন। আমাদের লাভ দেখে প্রায় সব ধরনের বই সংরক্ষিত ছিল। টিফিন টাইমে আমরা প্রায় সময় লাইব্রেরীতে বসে বসে আমাদের পছন্দের বই গুলো পড়তাম। আমি একজন নিয়মিত পাঠক হিসেবে বলতে পারি আমাদের লাইব্রেরীটি লাইব্রেরী।

সকল পোস্টের আপডেট পেতে ‍নিচের ফেসবুক আইকনে ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক পেইজে জয়েন করুন