Tips & tricks

ই-সিম কি? ই-সিমের সুবিধা ও অসুবিধা ২০২২

ই-সিম কি? ই-সিমের সুবিধা ও অসুবিধা ২০২২,বাংলাদেশের শুরু হয়ে গেছে e-sim সেবা। গত 16 ডিসেম্বর বিজয় দিবস এদিন নামে নতুন একটি সিম বাংলাদেশ যাত্রা শুরু করেছে। এনাম টি সবার কাছে নতুন মনে হলেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই সিম সেবা অনেক আগে চালু হয়ে গেছে।

সেই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে গত 16 ডিসেম্বর 2022 বিজয় দিবসে এর পথ চলা শুরু করেছে। এখন আমাদের মনে প্রশ্ন হতে পারে এই e-sim কি? e-sim কিভাবে কাজ করে এবং এর সুবিধা ও অসুবিধা কি। যদি আপনারা ই সিম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে চান এবং এই সিমের সুবিধা অসুবিধাগুলি জানতে চান তাহলে আমাদের এই পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়বেন। কারণ আজকে আমরা আপনাদের সাথে মিসিং সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য শেয়ার করি। আমি তোমার বিস্তারিত তথ্য গুলো নিচে দেখা যায়।

ই-সিম (e-SIM) কী? কীভাবে ব্যবহার করবেন

ই-সিম বা এমবেডেড সিম এর পূর্ণরূপ হল এমবেডেড সাবস্ক্রাইবার আইডেনটিটি মডিউল।এসএম মূলত বাজারে যে মাইক্রো এবং ন্যানোটেকনোলজির সিম পাওয়া যায় তার চেয়েও অনেক ছোট। এটি মূলত এক ধরনের ইলেকট্রনিক চিপ। যে মোবাইল তৈরি করার সময় দেওয়া হবে।

তাহলে আপনি প্রশ্ন করতে পারেন আমরা কি একসাথে বিভিন্ন অপারেটরের সিম ব্যবহার করতে পারব না? বা, বাজারে যে সকল সিম রয়েছে সে সিম ক্রয় করে মোবাইলে ঢুকাতে পারবো না।

আসলে e-sim হচ্ছে এক ধরনের চীপ বা ইলেকট্রনিক চিপ। যা মোবাইল প্রস্তুত করার সময় ভিতরে দিয়ে দেওয়া হবে। তবে বিভিন্ন ধরনের সিম কোম্পানি তাদের ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করবে যার ফলে আপনি বিশেষ কোন কোড ব্যবহার করে সেই কোম্পানির সিম এ সুবিধাটি উপভোগ করতে পারবেন।

অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে ই-সিম সেটাপ করার নিয়ম

সম্প্রতি জিপি কম্পানি ইস এ সেবা চালু করেছে। বাজারে যেহেতু নতুন এই প্রযুক্তি। যার ফলে এখনো সঠিক ইনফরমেশন দেওয়া যাচ্ছে না। যখন সব অপারেটর এই প্রযুক্তি ব্যবহার করবে তখন এর সম্পূর্ণ সুবিধা-অসুবিধা উপভোগ করা যাবে।

অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে ই-সিম সেটাপ করার নিয়ম

>>প্রথমে আপনার ফোনের সেটিংস অপশনে যাবেন।

>>এরপর Network & internet অপশন পাবেন তাতে ক্লিক করুন ।

>>তারপর Add একটি অপশন দেখতে পাবেন সেই Add  অপশনটিতে ক্লিক করুন এবং স্ক্রিনে আসা ইন্সট্রাকশন ফলো করুন। এবং Use 2 Number এই অপশনটি সিলেক্ট করে দিন ।

আইফোনে ই-সিম সেটআপ করার নিয়ম

>প্রথমে আপনাকে সেটিংস এ যেতে হবে।

>তারপর Cellular (or Mobile Data) অপশনে ক্লিক করবেন।

>তারপর  Add Cellular Plan অপশনটিতে ক্লিক করে অপারেটর থেকে পাওয়া QR কোডটি স্ক্যান করে নিন।

ই-সিম ব্যবহারের সুবিধা

সম্প্রতি বাজারে নতুন চালু হয়েছে e-sim প্রযুক্তি। এই সিমের অনেকগুলো সুবিধা রয়েছে। এটি ইলেকট্রিক সিম হওয়ার কারণে খুব সহজেই নেটওয়ার্ক পরিবর্তন করা যায়। আপনি চাইলে যে কোন কোম্পানির নেটওয়ার্ক পরিবর্তন সিম না খুলেই করতে পারবেন। এদিক দিয়ে অনেক বড় একটি সুবিধা করে দেওয়া হয়েছে এই সিমে। আপনি এই টেকনোলজির মাধ্যমে পাঁচটি ভার্চুয়াল সিম কার্ডের তথ্য সংরক্ষণ করতে পারবেন। একটু সহজভাবে বলতে গেলে আপনি যেকোন দুর্গম এলাকায় গেলে সেখানে যে সিমের নেটওয়ার্ক পাবে আপনি তৎক্ষণাৎ সেই সিম টি ভার্চুয়াল ভাবে সংযুক্ত করতে পারবেন আপনার এই টেকনোলজিতে।

ই-সিম ব্যবহারের অসুবিধা

এই টেকনোলজির সুবিধার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি অসুবিধা রয়েছে যেমন। আগের ফোনগুলোতে ইচ্ছে হলে সিম খোলা যেত কিন্তু e-sim সুবিধার মধ্যে আপনি চাইলে সিম খুলতে পারবেন না। ফোন নষ্ট হলে কিংবা হারিয়ে গেলে বা চুরি হয়ে গেলে আপনার সিমের সকল তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন না। আপনার ফোনটি নষ্ট হয়ে গেলে এই e-sim কোন তথ্য সংরক্ষণ করতে পারবেন না। আগের সিমে যেমন মোবাইল নষ্ট হলে সিম কার্ড খুলে ফেলা যেত। কিন্তু এই প্রযুক্তিতে তা করা যাবে না। হয়তোবা এই অসুবিধার কারণ গুলো মাথায় রেখে কম্পানি সকল গ্রাহকের ডাটা সংরক্ষণ করার কোন প্রসেস করবে। যার ফলে যেকোনো সময় গ্রাহক তার নাম্বার এর সকল ডাটা গুলো যেন ফিরে পায়।