Tips & tricks

কাযা নামায পড়িবার নিয়ম -কাজা নামাজ যেভাবে আদায় করতে হয়

কাযা নামায পড়িবার নিয়ম -কাজা নামাজ যেভাবে আদায় করতে হয়,নামাজ হচ্ছে বেহেস্তের চাবি। বাংলাদেশ শতকরা আশি পার্সেন্ট মুসলিম জাতি। মুসলমান হিসেবে আমাদের পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা ফরজ। কিন্তু ভুলবশত কারণে অনেক সময় আমরা সঠিক সময়ের সালাত আদায় করতে পারি না কিংবা ভুলে যায়। কিন্তু সঠিক সময়ের সালাত আদায় না করলে তা পরবর্তী সময়ে কাজা নামাজ শেষ হবে অবশ্যই তা আদায় করতে হয়। কিন্তু সুন্নত কি নফল নামাজ আদায় না করলে সেটা কাজে হিসেবে ধরা হয় না। তবে আদায় করলে ভালো।

আমরা অনেক সময় আসে যখন নামাজ আদায় করতে না পারলে তা পরবর্তীতে আর আদায় করা হয় না। কিংবা বিভিন্ন ধরনের অজুহাত দেখিয়ে তা এড়িয়ে যাই। এ কাজটি করা কখনই ঠিক নয়। আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর আদর্শ হচ্ছে প্রতিটি মুসলমানের পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করতে হবে। আর আমাদের এই প্রিয় নবীর কথা যদি অমান্য করা হয় তাহলে সেটা অনেক বড় পাপ কাজ। তাই আমরা পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করব এবং নবীর সুন্নত মেনে চলবো। এখন আমরা আপনাদের সাথে শেয়ার করব কিভাবে কাজা নামাজ আদায় করতে হয়।

আরো পড়ুন: শুক্রবার জুমার নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত

কাজা নামাজ যেভাবে আদায় করতে হয়

কাজা নামাজ যেভাবে আদায় করতে হয়

 অনেক মুসলিম রয়েছে যারা কাজা নামাজ কিভাবে আদায় করতে হয় সে সম্পর্কে কিছু জানেনা। এ সম্পর্কে কোরআনে  হাদিসে কি লেখা আছে সেগুলো আমরা জানি না। আমাদের দেশের প্রায় অনেক মুসলমান কোরআনের বাংলা অর্থ জানেনা। এ কোরআনের বাংলা অর্থ না জানার কারণে আমরা অনেক সময় ভুল ভাবে ধর্ম পালন করে থাকি। কোরআন আল্লাহ তাআলার বাণী আমাদের অবশ্যই পড়তে হবে। তবে যদি আমরা কোরআন শরিফের সঠিক আরবি উচ্চারণ এবং এর বাংলা অর্থ বুঝি তাহলে আমাদের হৃদয়ে আল্লাহর ভয় ঢুকে যাবে এবং আমরা সঠিক পথে চলবো। আজকে আমরা আপনাদের এরকমই কিছু কোরআন হাদিস থেকে কাজা নামাজ কিভাবে আদায় করতে হয় সে বিষয়ে কিছু হাদিস এবং আয়াত শেয়ার করব।

  1. আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেন করেন, ‘নামাজ মুমিনের জন্য নির্দিষ্ট সময়ে ফরজ। ’ (সুরা নিসা, আয়াত: ১০৩)

2.কোনো ওজর বা অপারগতার কারণে নামাজ সময়মতো আদায় করতে না পারলে উক্ত অপারগতা শেষ হওয়ার পর ওই নামাজের কাজা আদায় করা ফরজ। (বুখারি, হাদিস : ৫৬২)

3. সুন্নত আর নফলের কাজা করবে না। তবে সুন্নত বা নফল নামাজ আরম্ভ করার পর ভেঙে গেলে তা কাজা করা আবশ্যক। (সুরা মুহাম্মদ, আয়াত: ৩৩; তিরমিজি, হাদিস : ৬৬৭)

4. তাই কোনো ওজর ব্যতীত নামাজ সময় থেকে দেরি করা জায়েজ নেই।

(বুখারি, হাদিস: ৪৯৬)

5. ফরজের কাজা ফরজ। আর ওয়াজিবের কাজা ওয়াজিব। (বুখারি, হাদিস : ১৮১৬)

6. যদি কাজা নামাজ বেশি হয় তখন কাজা পড়ার সময় প্রতিটি নামাজকে পৃথকভাবে কাজা করতে হবে। যদি নির্ধারণ করা কষ্টসাধ্য হয়, তবে এভাবে নিয়ত করবে যে- আগে ছুটে যাওয়া জোহরের নামাজ পড়ছি বা পরে ছুটে যাওয়া জোহর বা আসর পড়ছি। (বুখারি, হাদিস : ১)

7.যদি ফজরের সুন্নত ফজরের ফরজসহ কাজা হয়ে যায়, তবে সূর্য ঢলে যাওয়ার আগে আগে ফরজের সঙ্গে সুন্নতও কাজা করবে। (আবু দাউদ, হাদিস : ৭৫)

আল্লাহ তাআলা আমাদের ঠিক সময়ে ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের তাওফিক দান করুন।