Tips & tricks

কাকিলা মাছ-উইকি

কাকিলা মাছ

কাকিলা মাসটি এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে।এই মাছগুলোর বিলুপ্তির কারণ হচ্ছে অবাধে কারেন্টজাল কিংবা বিভিন্ন ধরনের চায়না জাল ফেলে মাছ শিকার করার কারণে বর্তমান সময়ে মাছটি প্রায় বিলুপ্তির পথে চলে গেছে।এই মাছটির দেখতে অনেকটা লম্বা এবং এর দেহ শুরু আকৃতির এবং এর দাঁতগুলো অনেক ধারালো।এই মাছগুলোর সামনের অংশ দেখতে পায় কুমিরের মতো।আমাদের দেশের যে কাকিলা মাছ পাওয়া যায় সেটা মূলত মিঠাপানির কাকিলা মাছ কিন্তু এই মাছগুলোর অনেক প্রজাতি রয়েছে যেমন নোনা পানিতে যে কাকিলা থাকে সেগুলো আকার-আকৃতি মিঠাপানির কাকিলা তুলনায় অনেক বড় এবং ওজনে অনেক বেশি। এগুলি লম্বায় ২৫ থেকে ৩০ সেন্টিমিটার হয়। বাংলাদেশ ছাড়াও থাইল্যান্ড ও ভারতেও এই মাছ পাওয়া যায়। তবে রং ও আকারে কিছু পার্থক্য থাকে।

আজকে আমরা কাকিলা মাছ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আপনাদের সাথে আলোচনা করব এবং এর কিছু ইনফরমেশন আপনাদের দেওয়ার চেষ্টা করব যাতে আপনার এই মাছটি সম্পর্কে একটু ভালো ধারণা নিতে পারেন। চলুন দেরী না করে বিস্তারিত নিচে দেখা যাক।

আরো পড়ুন:

বিষয়বস্তু

  1. কাকিলা মাছ এর শ্রেণীবিন্যাস
  2. এ মাছের বাসস্থান
  3. চাষ পদ্ধতি
  4. কাকিলা মাছের আকার আকৃতি

কাকিলা মাছ এর শ্রেণীবিন্যাস

কাকিলা মাছ

এ মাছ মূলত কয়টি প্রজাতির হয়ে থাকে তার মধ্যে আমরা প্রায় দুটি প্রজাতি সব সময় দেখতে পায় একটি হচ্ছে মিঠাপানির আরেকটি হচ্ছে নোনা পানির কাকলে মাছ। মিঠা পানিতে যে কাকলে মাছ পাওয়া যায় মূলত তার গঠন সামুদ্রিক কাকলে মাছ এর তুলনায় অনেক ছোট। মিঠাপানির কাকলে মাছ দেখতে চিকন লম্বা সরু এবং এর সামনের মুখ অনেক লম্বা ও মুখভর্তি অনেক দাঁত। এ মাসটি সামনের অংশ দেখতে প্রায় অনেকটাই কুমিরের মতো।

সামুদ্রিক কাকলে মাছ দেখতে অনেক বড়।মিঠাপানির কাকিলার মত সামুদ্রিক কাকলে মাছ কিন্তু সামুদ্রিক কাকলে মাছের আকার আকৃতি মিঠাপানির কাকিলা মাসের তুলনায় অনেক বড়। এই মাছটিতে প্রচুর গুণাগুণ রয়েছে যেমন ভিটামিন মিনারেল । অনেক ধরনের ভিটামিন এর গুনাগুন এই মাছটিকে রয়েছে যা আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

এ মাসের বাসস্থান

এ মাছ মূলত বসবাস করে নদীতে, খালে, বিলে, কিংবা পুকুরে। মিঠাপানির কাকলে মাছ প্রায় সব জায়গায় বসবাস করতে সক্ষম।

চাষ পদ্ধতি

এ মাছ চাষ পদ্ধতি এখনো বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়নি।তবে অনেকেই বিভিন্ন জায়গা থেকে  কালেক্ট করে তারা একটি পুকুরে রেখে সেখান থেকে পোনা উৎপাদন করে তারা কিছু চাষাবাদ শুরু করেছে।কিন্তু সরকার ভিত্তিক এখনো এ মাসের প্রজনন কিংবা বাণিজ্যিক চাষ এর কোন প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি।

কাকিলা মাছের আকার আকৃতি

এই মাসটি অনেক লম্বা সরু এবং চিকন আকৃতি। এ মাছটির সামনে একটু লম্বা মুখ রয়েছে যা দেখতে অনেকটা কুমিরের মুখের আকৃতির মত।এ মাসটি মুখভর্তি অনেক দাত হয়েছে যা এ মাছটি কে স্বীকার করতে অনেক সাহায্য করে।

এ মাছটি খেতে অনেক সুস্বাদু। এ মাছটি অনেকে খেতে চায় না। এই না খাওয়ার কারণ হলো কাঁচা অবস্থায় এ মাসটি শরীরে একটি উদ্ভট গন্ধ থাকে যার ফলে অনেকেই এ মাসটি পছন্দ করেন না।কিন্তু আপনি যদি এ মাসটি পরিষ্কার করে খুব ভালো হবে রান্না করতে পারেন তাহলে এই মাসটি খেতে অনেক সুস্বাদু এবং এ মাছের মধ্যে অনেক প্রকার ভিটামিন মিনারেল রয়েছে যা আপনার শরীরের জন্য খুবই উপকারী।

এই মাসটি সম্পর্কে যদি আপনাদের কোন তথ্য জানা থাকে তাহলে আপনারা আমাদের কমেন্ট বক্সে যোগাযোগ করবেন আশা করি আমরা আপনাদের প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে সক্ষম হব