status

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর বিখ্যাত সব উক্তি ও উপন্যাস সমূহ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর বিখ্যাত সব উক্তি ও উপন্যাস সমূহ। সম্মানিত পাঠক, আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করার জন্য আপনাকে জানাই আন্তরিক মোবারকবাদ। আমাদের আলোচনার বিষয় হচ্ছে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত সব উক্তি ও উপন্যাস সমূহ। আপনি কি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উক্তি সমূহ খুঁজতেছেন? তাহলে আপনি সঠিক প্রশ্ন ভিজিট করেছেন। তাহলে চলুন উক্তি সমূহ শেয়ার করা যাক।

শরৎচন্দ্রের বিখ্যাত উক্তি

আপনারা যে লক্ষে আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করেছেন সে বিষয়টি এখন আপনাদের সাথে শেয়ার করব। এখন আমরা আপনাদের সাথে শেয়ার করব শরৎচন্দ্রের বিখ্যাত উক্তি সমূহ। আমরা চেষ্টা করব শরৎচন্দ্রের বিখ্যাত সব ধরণের উক্তির শেয়ার করার জন্য। আপনি চাইলে এই উক্তিগুলো শেয়ার করতে পারেন।

>>>ভালবাসাটার মতো এতবড় শক্তি ,  এতবড় শিক্ষক সংসারে বুঝি আর নাই। ইহা পারে না এতবড় কাজও বুঝি কিছু নাই।

—–শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

>>>কাল যে ছিল,আজ সে নাই;

আজও যে ছিল,তাহারো ঐ নশ্বর দেহ টা ধীরে ধীরে ভস্মসাৎ হইতেছে, আর তাহাকে চেনাই যায় না; অথচ, এই দেহ টাকে আশ্রয় করিয়া কত আশা,কত আকাঙ্ক্ষা,কত ভয়,কত ভাবনাই না ছিল। কোথায় গেল? এক নিমিষে কোথায় অন্তর্হিত হইল?তবে কি তার দাম?মরিতেই বা কতক্ষন লাগে?

—-শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

>>>”সত্যের স্থান বুকের মধ্যে, মুখের মধ্যে নয়। কেবল মুখ দিয়ে বার হয়েছে বলেই কোনো জিনিস কখনো সত্য হয়ে উঠে না। তবু যারা তাকে সকলের অগ্রে, সকলের ঊর্ধে স্থাপন করিতে চায়, তারা সত্য কে ভালোবাসে বলেই করে না, সত্যভাষণের দম্ভকেই ভালোবাসে বলে করে।”

—–শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

>>> যে বস্তুরই হোক,  শেষ পর্যন্ত ভেবে দেখা মানুষের সাধ্য নয়। যিনি যতবড় বিচক্ষণ পন্ডিতই হোন না কেন,

—-শেষ ফলটুকু ভগবানের হাত থেকেই নিতে হয়।

—–শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

>>>কিছু একটা কেবল দীর্ঘ দিন ধরে চলে আসছে বলেই তা ভালো হয়ে যায় না ।মাঝে মাঝে তাকে যাচাই করে বিচার করে নিতে হয়।যে মমতায় চোখ বুঝে থাকতে চায় সে ই মরে।

—–শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

>>> মনে করি চাঁদ ধরি হাতে দেই পেড়ে বাবলা গাছে হাত লেগে আঙুল গেল ছিড়ে!

—–শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

>>>অতীত মুছে ফেলার শ্রেষ্ঠ উপায় হচ্ছে স্থান পালটানো

—–শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

>>>শিক্ষা, বিদ্যা, বুদ্ধি, জ্ঞান, উন্নতি — যা কিছু সব সুখের জন্য। যেমন করেই দেখ না কেন, নিজের সুখ বাড়ানো ছাড়া এ সকল আর কিছুই নয়।

——শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

>>>যাকে তাকে গছিয়ে দেওয়ার নামই বিবাহ নয়, মনের মিল না হলে বিবাহ করাই ভুল

——শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

>>> বাধাঁ গরু অনাহারে  দাড়িয়ে মরতে দেখেছ?

সে দাড়িয়ে মরে তবু সে জীর্ণদড়িটা ছিড়ে ফেলে মনিবের শান্তি নষ্ট করেনা।

—–শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর বিখ্যাত সব উক্তি ও উপন্যাস সমূহ

>>> মনে হয়, চঞ্চল এবং অস্হিরচিত্ত বলে স্ত্রীলোকের যত অখ্যাতি, ততখানি অখ্যাতির তারা যোগ্য নয়।

অখ্যাতি করতেও তোমরা, সুখ্যাতি করতেও তোমরা।

তোমাদের যা বলবার – অনায়াসে বল; কিন্তু তারা তা পারেনা। নিজের মনের কথা প্রকাশ করতে পারেনা;

পারলেও তা সবাই বোঝে না। কেন না, বড় অস্পষ্ট হয় – তোমাদের মুখের কাছে চাপা পড়ে যায়। তারপরে অখ্যাতিটাই লোকের মুখে স্পষ্টতর হয়ে ওঠে।

—–শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

>>> যাহার প্রাসাদতুল্য অট্টালিকা নদীগর্ভে ভাঙ্গিয়া পড়িতেছে,সে আর খান কতক ইট বাঁচাইবার জন্য নদীর সহিত কলহ করিতে চাহে না৷

—–শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

>>> ভেবেচো, বুঝি হঠাৎ করে করে

তোমাকে কুড়িয়ে পেয়েছিলুম?

কুড়িয়ে তোমাকে পাইনি,

পেয়েছিলুম অনেক তপস্যায়, অনেক আরাধনায়।

তাই, বিদায় দেবার কর্তা তুমি নও,

আমাকে ত্যাগ করার মালিকানা

স্বত্বাধিকার তোমার হাতে নেই।

——শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

>>> যাহাকে ভালোবাসি সে যদি ভালো না বাসে,

এমনকি ঘৃণাও করে তাও বোধ করি সহ্য হয়!

কিন্তু যাহার ভালবাসা পাইয়াছি

বলিয়া বিশ্বাস করেছি, সেইখানে ভুল

ভাঙ্গিয়া যাওয়াটাই সবচেয়ে নিদারুন।

পূর্বের টা ব্যাথা দেয়।

কিন্তু শেষের টা ব্যাথাও দেয়, অপমান ও করে।

—–শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

>>> জগতের সমস্ত বস্তুই সাফাই সাক্ষীর হাত ধরে হাজির হতে পারে না বলেই

মিথ্যা বলে ত্যাগ করতে হলে অনেক ভালো জিনিস হতে বঞ্চিত হয়ে থাকতে হয়।

—–শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

>>> মানুষ তো দেবতা নয়-সে যে মানুষ!

তার দেহ দোষে -গুণে জড়ানো;

কিন্তু তাই বলে তো তার দুর্বল মুহূর্তের উত্তেজনাকে তার স্ভাব বলে ধরে নেওয়া চলে না।

——-শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

>>>কপালের যেখানটায় বসন্তের দাগ ছিল; সবাই চোখ ফিরিয়ে নিত ঘেন্নায়! সেখানটায় চুমো খেয়ে বুঝিয়ে দিতে হয় ভালোবাসা জিনিসটা সবার জন্য আসেনি।

—–শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

>>> মানুষের দীর্ঘ-জীবনে তাকে অনেক পা চলতে হয়,দীর্ঘ পথটির কোথাও কাদা, কোথাও পিছল,কোথাও উঁচু-নীচু থাকে, তাই লোকের পদস্থলন হয়; তারা কিন্তু সে কথা বলে না,শুধু পরের কথা বলে|পরের দোষ,পরের লজ্জ্বার কথা চীৎকার করে বলে,সে শুধু আপনার দোষটুকু গোপনে ঠেকে ফেলবার জন্যই|

—–শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

>>>আমি যে মেয়েমানুষ!

মেয়েমানুষের কি কখনো অসুখ হয়, না সে মরে?

কোথায় শুনেচ, অযত্নে অত্যাচারে মেয়েমানুষ মরে গেছে?

——শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

>>> যাহা জটিল ও দুর্বোধ্য, তাহা বিশদভাবে পরিষ্কার করিয়া বুঝাইয়া বলিবার সময় ও সুবিধা না হওয়া পর্যন্ত একেবারে না বলাই ভাল। ইহাতে অধিকাংশ সময়ে সুফলের পরিবর্তে কুফলই ফলে।

——-শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

শিক্ষামূলক ৬৩ টি মনীষীদের শক্তিশালী নতুন উক্তি ও বাণী

বৃষ্টি নিয়ে ক্যাপশন ৩০ টি বৃষ্টির রোমান্টিক উক্তি,এস এম এস ,ছবি

মা দিবসের বাণী শুভেচ্ছাবাণী পিক উক্তি

কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন উপলক্ষে উক্তি এস এম এস স্ট্যাটাস

সংসার নিয়ে উক্তি

আপনি কি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সংসার নিয়ে উক্তি খুঁজতেছেন? যদি আপনি এই উক্তি খুঁজে থাকেন তাহলে সঠিক পুষ্টি ভিজিট করেছেন কারণ আজকে আমরা শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সংসার নিয়ে কিছু উক্তি শেয়ার করব। আপনি যদি এই উক্তিগুলো শেয়ার করতে চান তাহলে আমাদের ওয়েবসাইট থেকে খুব সহজেই কপি করে নিতে পারবেন।

>>>মহত্ত জিনিসটা কোথাও ঝাঁকে ঝাঁকে থাকে না। তাকে সন্ধান করে খুঁজে নিতে হয়।

—–শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

>>>হয়তো প্রশ্ন করবে, তবে কি এমন নিঃসঙ্গ জীবনই চিরদিন কাটাব?

কিন্তু প্রশ্ন যাই হোক, এর জবাব দেওয়ার দায় আমার নয়, তোমার।

——শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

>>> পুরুষ মানুষ যত মন্দই হয়ে যাক,

ভালো হতে চাইলে তাকে

কেউ তো মানা করে না ;

কিন্তু আমাদের (মেয়েদের) বেলায়

সব পথ বন্ধ কেন?

——শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

>>> কত হারাইয়া গিয়াছে টের পাই,

কিন্তু তবু তো শিকল ছিড়িয়া যায় না।

—–শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

>>> যে মাত্র কয়েক ঘন্টা পূর্বে ও নিজের মুখে স্বীকার করিয়া গিয়াছে,

সে তাহার কেহ নয়_ উভয়ের কোন বন্ধন নাই, যাহার বিরুদ্ধে আজ তাহার ঘৃণার অন্ত নাই,

তবুও তাহারই জন্য কেন সমস্ত মন জুড়িয়া হাহাকার উঠিতেছে।

এ কি বিচিত্র ব্যপার!

—–শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

>>>রাজার আইন, আদালত, জজ, ম্যাজিস্ট্রেট সমস্ত মাথার উপরে থাকিলেও দরিদ্র প্রতিদ্বন্দ্বীকে নিঃশব্দে মরিতে হইবে।

——শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

>>>মানুষ শেষ পর্যন্ত কিছুতেই. নিজের

সমস্ত পরিচয় পাই না,

সে যা নয়, তাই

বলিয়া নিজেকে জানিয়া রাখে

এবং বাহিরে প্রচার করিয়া শুধু

বিড়ম্বনার সৃষ্টি করে।

—–শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায

>>> যাহাকে ভালোবাসি

সে যদি ভালো না বাসে,

এমনকি ঘৃণাও করে

তাওও বোধ করি সহ্য হয়!

কিন্তু যাহার ভালবাসা পাইয়াছি

বলিয়া বিশ্বাস করেছি,

সেইখানে ভুল

ভাঙ্গিয়া যাওয়াটাই

সবচেয়ে নিদারুন।

পূর্বের টা ব্যাথা দেয়।

কিন্তু শেয়ার টা ব্যাথাও দেয়,

অপমান ও করে।

—-শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

>>> যাহাকে মনে পড়িলেই তাহার বুকে সুচ ফুটিয়াছে,

তাহার সেই চিরদিনের বন্ধুকে অপমান করিয়া

ত্যাগ করার দুঃখ যে তাহার অন্তরে অহরহ কত বড় হইয়া উঠিতেছিল

সে শুধু অন্তর্যামীই দেখিতেছিলেন।

—-শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

>>> আমি তো চললুম।

পথের কষ্ট আমাকেই নিতে হবে,

সে নিবারণ করার সাধ্য কারো নেই।

—-শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

>>> আমি ঠকিনি,

কারণ আমি ভালবাসতে পেরেছিলাম,

কিন্তু ঠকেছে সে,

সে ভালবাসতে পারেনি।

—-শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

>>> এমন কিছু একটা ভাগ্যে মিলিল

যাহা যেমন আকস্মিক তেমনি অপরিসীম।

নিজের গুনে পাই নাই, নিজের দোষেও হারাই নাই,

তথাপি হারানোটাকেই আজ স্বীকার করিতে হইলো,

ক্ষতিটাই আমার বিশ্ব জুড়িয়া রহিলো।

—-শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

>>>রাগ করিব কাহার উপর? কিসের জন্য?

কি তাহার অপরাধ?

ঝর্ণার জলধারার অধিকার লইয়াই

বিবাদ করা চলে।

কিন্তু উৎসমুখে জলই যদি শেষ হইয়া

থাকে,

তো শুষ্ক খাদের বিরুদ্ধে

মাথা খুড়িয়া মরিব কোন ছলনায়?

—-শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

>>>আশা ছিলো একদিন আমার পাপ ক্ষয় হবে, আমি নিষ্পাপ হবো।

এ লোভ কেন জানো?

স্বর্গের জন্য নয়, সে আমি চাইনে।

আমার কামনা, মরনের পর যেন আবার এসে জন্মাতে পারি।

বুঝতে পারো তার মানে কি?

—-শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

চাঁদ নিয়ে ভালোবাসার উক্তি ও নতুন স্ট্যাটাস ক্যাপশন

কপালের টিপ নিয়ে উক্তি ২০২২,২০২৩

বেইমান মানুষ নিয়ে উক্তি । বেইমান মানুষ নিয়ে কিছু শক্তিশালী স্ট্যাটাস

ভ্রমন ও শিক্ষা সফর নিয়ে উক্তি বাণী ও স্ট্যাটাস

মেয়েদের প্রপোজ করার এসএমএস (SMS), মেসেজ, উক্তি, স্ট্যাটাস, পিকচার, ছবি

চাঁদ নিয়ে হুমায়ুন আহমেদের উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় উপন্যাসের নাম

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর উপন্যাস যারা খুজতেছেন তার জন্য আজকে আমরা শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাসের নাম নিয়ে হাজির হয়েছি। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস শেয়ার করতে পারিনি তার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। কিন্তু আমরা আপনাদের জন্য শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত কিছু উপন্যাসের নাম শেয়ার করে দিব। যে উপন্যাস গুলো আপনারা চাইলে গুগলে সার্চ করে সহজেই পেয়ে যাবেন। তাহলে চলুন উপন্যাসের নাম গুলো দেখা যাক।

উপন্যাসের নাম

বড়দিদি, ১৯১৩

শ্রীকান্ত-প্রথম পর্ব, ১৯১৭

নিষ্কৃতি, ১৯১৭

পরিণীতা, ১৯১৪

পন্ডিতমশাই, ১৯১৪

মেজ দিদি, ১৯১৬

পল্লী-সমাজ, ১৯১৬

চন্দ্রনাথ, ১৯১৬

বৈকুন্ঠের উইল, ১৯১৬

অরক্ষণীয়া, ১৯১৬

বিরাজবৌ, ১৯১৪

বিন্দুর ছেলে, ১৯১৪

দত্তা, ১৯১৮

স্বামী , ১৯১৮

দেবদাস, ১৯১৭

চরিত্রহীন, ১৯১৭

কাশীনাথ, ১৯১৭

বামুনের মেয়ে, ১৯২০

দেনা পাওনা, ১৯২৩

শ্রীকান্ত-দ্বিতীয় পর্ব, ১৯১৮

ছবি, ১৯২০

গৃহদাহ, ১৯২০

শ্রীকান্ত-তৃতীয় পর্ব, ১৯২৭

শেষ প্রশ্ন, ১৯৩১

নব-বিধান, ১৯২৪

পথের দাবী, ১৯২৬

শুভদা, ১৯৩৮

শেষের পরিচয় ,১৯৩৯

শ্রীকান্ত-চতুর্থ পর্ব, ১৯৩৩

বিপ্রদাস, ১৯৩৫

 

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নাটক

ষোড়শী, ১৯২৮

বিজয়া, ১৯৩৫

রমা, ১৯২৮

বিরাজ বউ, ১৯৩৪

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় গল্প

রামের সুমতি ১৯১৪

পরিণীতা, ১৯১৪

বিন্দুর ছেলে, ১৯১৪

পথ-নির্দেশ, ১৯১৪

মেজদিদি, ১৯১৫

আঁধারে আলো ১৯১৫

দর্পচূর্ণ ১৯১৫

বৈকুণ্ঠের উইল, ১৯১৬

অরক্ষণীয়া, ১৯১৬

নিষ্কৃতি, ১৯১৭

কাশীনাথ, ১৯১৭

বিলাসী, ১৯২০

সতী, ১৯৩৪

পরেশ, ১৯৩৪

মামলার ফল, ১৯২০

হরিলক্ষ্মী, ১৯২৬

মহেশ, ১৯২৬

অভাগীর স্বর্গ, ১৯২৬

অনুরাধা, ১৯৩৪

স্বামী, ১৯১৭

ছবি, ১৯২০

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রবন্ধ

নারীর মূল্য

তরুণের বিদ্রোহ, ১৯১৯

শিক্ষার বিরোধ

স্মৃতিকথা

স্বদেশ ও সাহিত্য, ১৯৩২

স্বরাজ সাধনায় নারী

পরিশেষে আমরা আপনাদের একটি কথা বলবো যদি আমাদের এই পোস্টটি আপনাদের কাছে ভাল লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই শেয়ার করে দিবেন। আর যদি কোন কিছু জানার থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে শেয়ার করে দিবেন।