Tips & tricks

২০২২ সালে সার্বিয়া কাজের ভিসা পাওয়ার সহজ উপায়

২০২২ সালে সার্বিয়া কাজের ভিসা পাওয়ার সহজ উপায়। সম্মানিত পাঠক, আমাদের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার জন্য আপনাকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আপনি কি সার্বিয়া কাজের ভিসা সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন? আপনি কি সার্বিয়া যেতে ইচ্ছুক? তাহলে আপনি সঠিক পোস্টে ভিজিট করেছেন। কারণ আজকে আমরা আপনাদের সাথে আলোচনা করব 2022 সালে সার্বিয়া কাজের ভিসা পাওয়ার সহজ উপায় সম্পর্কে।

2022 সালে সার্বিয়া কাজের ভিসা পাওয়ার জন্য কি কি পন্থা অবলম্বন করতে হবে। সে সকল বিস্তারিত তথ্য আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করব। যদি আপনি সার্বিয়া কাজের ভিসা সম্পর্কে জানতে চান তাহলে অবশ্যই আমাদের এই পোস্ট সম্পূর্ণ পড়বেন।

সার্বিয়া কাজের ভিসা ধরন

ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ হচ্ছে সার্বিয়া। আপনি যদি ইউরোপে ঢুকতে চান, তাহলে প্রথমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর আওতাভুক্ত ছোট দেশগুলোতে প্রবেশ করতে হবে। সে দেশগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে সার্বিয়া। সার্বিয়া তে চাকরির সম্ভাবনা অনেক বেশি।

এছাড়াও আপনি সার্বিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সহ সেখানে অনেকদিন চাকরির সুবাদে আপনি খুব সহজে সিটিজেনশিপ পেতে পারেন।

সার্বিয়া হচ্ছে বাংলাদেশিদের জন্য একটি সম্ভাবনাময় দেশ। হাঙ্গেরির সীমান্তবর্তী দেশ হচ্ছে সার্বিয়া। বর্তমানে ইউরোপে ঢোকার জন্য অনেক মানুষ সার্বিয়া কাজের ভিসা নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ থেকে। বাংলাদেশ থেকে কাজের ভিসা নিয়ে সার্বিয়া যাওয়া খুবই সহজ। বাংলাদেশ থেকে সার্বিয়া ভিসার জন্য এপ্লাই করাটা একদম সহজ করে দিয়েছে স্টিকার ভিসা এর ঢাকা অফিস।

সহজ করে দেওয়ার কারণে বাংলাদেশ থেকে সার্বিয়া যে কোন ক্যাটাগরিতে এপ্লাই করতে পারবেন। যদি আপনার ভিসা হয়ে যায় তাহলে স্টিকার ভিসা ঢাকা অফিস সেই ভিসা ভারতীয় এম্বাসি নিউ দিল্লি থেকে প্রসেস করবে।

সার্বিয়া কাজের ভিসা

সেই সাথে আপনার ভিসা অ্যাপ্লিকেশন টি সঠিক আছে কিনা তা চেক করার জন্য এম্বাসিতে পাঠানো ও নিম্ন আসা সংক্রান্ত সকল কিছুই সম্পাদিত হবে স্টিকার ভিসা এর মাধ্যমে। এর ফলে আপনাকে ভিসার জন্য ইন্ডিয়াতে যেতে হবে না এর ফলে আপনি 1 মাসে ওয়ার্ক পারমিট পেয়ে যাবেন আর দুই মাসের মধ্যে আপনার লাইট করা সম্ভব।

সার্বিয়া কাজের ভিসা ধরন

সার্বিয়া তে মূলত দুই ধরনের ভিসা হয়ে থাকে। প্রথম হচ্ছে কনস্ট্রাকশন সেক্টর এর বিচার এবং দ্বিতীয়ত হচ্ছে ফ্যাক্টরি ভিসা।

আপনি যদি কনস্ট্রাকশন সেক্টরে যেতে চান তাহলে সেখানে 5 থেকে সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা লাগতে পারে। আর যদি ফ্যাক্টরি ভিসায় যেতে চান তাহলে 6 লক্ষ টাকার আশেপাশের লাগতে পারে।

বাংলাদেশের স্টিকার ভিসা অফিস রয়েছে সেখানে তারা ক্লেইম করেছে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা বের হওয়ার আগ পর্যন্ত তারা কোন টাকা পয়সা নিবেনা। ভিসা যখন বের হবে তখন সবকিছু যাচাই বাছাই করে 30 হাজার টাকা তারা জমা নিবে সে ক্ষেত্রে কাজের গতি অনেক দ্রুত গতিতে এগোবে।

ভিসা প্রসেসিং শেষে তারা বাদবাকি টাকা নিয়ে নিবে। সেক্ষেত্রে তারা দেশ থেকে ম্যানপাওয়ার করিয়ে  নিবে।

এছাড়াও তারা বলেছে যে সার্ভেতে টেম্পোরারি ওয়ার্ক পারমিট ভিসা করা যায়।

সার্ভেতে কাজের বেতন কত

সার্ভেতে কাজের কোনো বেতন এর লিমিট করা নেই। তবে ইউরোপীয় দেশগুলোতে বেশিরভাগ সময়ে ড্রাইভিং এবং রেস্টুরেন্টের কাজ বেশি থাকে। তবে ড্রাইভিংয়ে আপনি প্রতিমাসে 80 হাজার থেকে 1 লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আবার রেস্টুরেন্টে যদি আপনি কাজ করে থাকেন তাহলে সেখানে 50 থেকে এক লাখ টাকা ইনকাম করতে পারবেন। তবে সে ইনকাম প্রথম অবস্থাতে হবে না বেশ কয়েকবছর অভিজ্ঞতা অর্জন এর ফলে আপনি আস্তে আস্তে বেতন বেশি পাবেন।

অনলাইনে কাতার এয়ারওয়েজ এর টিকেট চেক করার নিয়ম ২০২২

অনলাইনে Qatar কাজের ভিসা চেক করার নিয়ম ২০২২

Online ভিবিন্ন দেশের Visa চেক করার 60+ দেশের ওয়েব এড্রেস। নিজেই চেক করে নিন অনলাইনে ভিসা