Info Fact 360

গুগলে সার্চ এ পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো মানুষ কে?

গুগলে সার্চ এ পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো মানুষ কে?

সম্মানিত পাঠক, আজকে আমরা একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। এতক্ষণে হয়তো আপনাদের মনে একটি প্রশ্ন জেগে উঠেছে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় টা কি।আজকের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হচ্ছে গুগলে সার্চ এ পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো মানুষ কে? এই প্রশ্নটি হয়তো আমাদের অনেকের মনে আসে। কিন্তু আমরা কখনই এই বিষয়টা নিয়ে জানার চেষ্টা করি না। আজকে আপনাদের এই প্রশ্নটির সঠিক উত্তর এবং দলিল সহকারে আপনাদের সাথে শেয়ার করব। এই পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়বেন। তাহলে আপনারা এই প্রশ্নটির সঠিক উত্তর জেনে যাবেন এবং তার সঠিক ব্যাখ্যা পাবেন। দয়া করে কেউ স্ক্রিপ করবেন না।

পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো মানুষ কে?

পৃথিবীর সবচাইতে ভালো মানুষ আছে আল্লাহর বন্ধু হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম।তিনি জীবনে কখনো মিথ্যা কথা বলেন, কারো ক্ষতি করেন নি, তিনি সব সময় মানুষকে উপকার করেছেন, এর জন্য তার ডাকনাম ছিল আলামিন, সবসময় তিনি মানুষের উপকারে নিয়োজিত ছিলেন। এর প্রমাণ মুসলিমদের ধর্ম গ্রন্থ আল কোরআন।এছাড়াও অনেক জ্ঞানী ব্যক্তিগণ এর ব্যাখ্যা করে গেছেন। যেমন বিশ্ব বিখ্যাত লেখক ও গবেষক মাইকেল হার্ট থেকে শুরু করে জর্জ বার্নার্ড পর্যন্ত সবাই এক বাক্যে স্বীকার করে নিয়েছে।

মাইকেল হার্ড তার বইয়ে লিখেছেন,হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর সাফল্যের মধ্যে জাগতিক ও ধর্মীয় উভয় প্রভাবে এর বিশেষ সংমিশ্রণ রয়েছে। এর জন্য সঙ্গতভাবে তাকে ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।

 হযরত মুহাম্মদ (সা:) কে নিয়ে জর্জ বার্নার্ড শ এর কালজয়ী উক্তি

বিখ্যাত লেখক জর্জ বার্নার্ড শ পৃথিবীর সবচেয়ে মহান এই ব্যক্তিকে মানবতার ত্রাণকর্তা আখ্যা দিয়ে বলেন তিনি যদি আধুনিক পৃথিবীর শাসক ক্ষমতা গ্রহণ করতেন তাহলে তিনি অবশ্যই সকল সমস্যার সমাধান করতে সফল হতে। সেই সাথে আসো তো পৃথিবীর জন্য অতি জরুরী সুখ শান্তি। এছাড়াও আরো বহু অমুসলিম পৃথিবীর সবচেয়ে মহান ব্যক্তি কে তার আদর্শের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। বিগত প্রায় দেড় হাজার বছর ধরে শত শত কোটি মুসলিম হযরত মুহাম্মদ (সা) এর শিক্ষাচর্চা করে আসছেন।

হযরত মুহাম্মদ (স) এর সংক্ষিপ্ত বিবরন

হযরত মুহাম্মাদ (সা.) ছিলেন সর্বশেষ নবী।  তিনি পৃথিবীর ইতিহাসে অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় নেতা।তিনি ধর্মীয় জীবনে যেমন সফল তেমনই রাজনৈতিক জীবনেও।

একটা সময় আরবজাহান ছিল ঘোর অন্ধকারে নিমজ্জিত।  তারা আল্লাহকে ভুলে গিয়ে নানা অপকর্মে লিপ্ত হয়ে পড়ে। সর্বত্র দেখা দিয়েছিল অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা।মারামারি আর হানাহানিতে লিপ্ত ছিল মানুষ।  মূর্তিপূজা করত।িএর থেকে মানব জাতীকে ইসলামের পথ দেখানোর জন্য আল্লাহতায়ালা মুহাম্মদ (সা.)-কে এ পৃথিবীতে পাঠান। ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের ১২ রবিউল আউয়াল বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) আরবের মক্কায় মা আমিনার কোল আলো করে জন্মগ্রহণ করেন।পবিত্র কোরআনে বর্ণিত আছে, ‘মহানবীকে সৃষ্টি না করলে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পৃথিবী সৃষ্টি করতেন না।’

পবিত্র কোরআনে পুরুষদের সঙ্গে নারীদেরও সম্পত্তির উত্তরাধিকার নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। একইভাবে মায়েদের, স্ত্রীদের, কন্যাদের, স্বামীদের সম্পত্তির এবং বিশেষ অবস্থায় বোনদের-ভাইদের সম্পত্তির উত্তরাধিকার সাব্যস্ত করা হয়েছে। একবার ওয়াইস করনি (রা.) নবীজির কাছে খবর পাঠালেন, হে আল্লাহর রাসূল (সা.)। আপনার সঙ্গে আমার দেখা করার খুব ইচ্ছা, কিন্তু আমার মা খুব অসুস্থ, এখন আমি কী করতে পারি?

নবীজি (সা.) উত্তর পাঠালেন, আমার কাছে আসতে হবে না। আমার সঙ্গে সাক্ষাতের চেয়ে তোমার মায়ের সেবা করা বেশি জরুরি।

রাসূল (সা.) বলেন- যে ব্যক্তির তিনটি কন্যাসন্তান আছে যাদের সে লালন পালন করে এবং তাদের সঙ্গে সদয় আচরণ করে, তার জন্য অবশ্যই জান্নাত ওয়াজিব। সাহাবায়ে কেরাম জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! যদি দুটি মেয়ে থাকে? নবীজি বললেন, দুটি থাকলেও (বুখারি : ২৪৮১)।

Exit mobile version